
অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের চকরিয়ায় মো. ইশফাতুল ইসলাম জিসান (২৫) নামের ১ ছাত্রদল নেতাকে অপহরণের পর হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ৪ ঘন্টা পর তার লাশ উদ্ধার করেছে পাহাড়ি জঙ্গল থেকে। তবে সঠিক কী কারণে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।
তবে পুলিশ বলছে-পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিক নারীসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানিয়েছে- গত ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাত এগারটার দিকে সাদা রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করা হয় তাকে। এর পর খবর পেয়ে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে- কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লোটনী গ্রামের নাজেম উদ্দিনের পুত্র ও কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে রবিবার রাত এগারটার দিকে জনৈক ছাবের আহমদ সওদাগরের দোকানের সামনে থেকে অপহরণ করে একদল দুর্বৃত্ত। এর পর তাকে চকরিয়া পৌরশহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারের একটি ফ্লাটে তুলে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর লাশ একই গাড়িতে তুলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হয়ে চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এলাকার পাহাড়ি জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন-আজ সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে পুলিশের কাছে খবর আসে মহাসড়কের পাশে জঙ্গলের ভেতর একটি মরদেহ পড়ে রয়েছে। এর পর সেখানে গিয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধারের পর শনাক্ত করা হয় এটি ছাত্রদল নেতা জিসানের।
ওসি বলেন, ‘পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পরিবারের দাবি অনুযায়ী পৌরসভার কবির টাওয়ারে একটি ফ্লাটবাসায় অভিযান চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দারোয়ান এবং একাধিক নারীকে আটক করা হয়েছে। তবে সঠিক কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে তা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।সূ:আ








