
অনলাইন ডেস্ক: নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত এলাকায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯৮ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের গ্রামগুলোতে আচমকা পাহাড়ি ঢল আছড়ে পড়লে এই দুর্যোগ নেমে আসে। বন্যার তীব্রতায় পুরো এলাকা তছনছ হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভয়াল গতিতে পানি ও কাদাস্রোত নদী তীরবর্তী লোকালয় ও সীমান্ত পারের এলাকা প্লাবিত করছে।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে, একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে প্রথমে বড় ধরনের ভূমিধস ঘটে। এতে করে পাহাড়ি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এবং পরে সেই বাঁধ ভেঙে ভাটির দিকে প্রবল বেগে পানির তোড় নেমে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেপাল সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। ঘরের চালে ও বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া মানুষদের হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করা হচ্ছে।
…..
এদিকে, এই আকস্মিক বন্যার প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলেও। চীনা রাষ্ট্রীয় মাধ্যম তিব্বতের জাইরোং (Gyirong) পোর্টে ব্যাপক কাদাধস এবং “মারাত্মক হতাহতের” আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। জাইরোং পোর্টে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনা করে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং ত্রাণ তৎপরতায় সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। দুই দেশের সীমান্ত এলাকাতেই উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।ই









