আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

সারোয়ার আলম আলোচিত ম্যাজিষ্ট্রেট পেল না পদোন্নতি।

1 min read
সারোয়ার আলম

সারোয়ার আলম আলোচিত ম্যাজিষ্ট্রেট পেল না পদোন্নতি। সম্প্রতি উপ-সচিব পদে বড় ধরনের পদোন্নতি হলেও তেমনটি ঘটেনি সফল অভিযানের নায়ক সারোয়ার আলমের বেলায়। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ৩ শতাধিক অভিযান চালিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

গত রোববার জারি করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুই প্রজ্ঞাপনে ৩৫৮ জন সিনিয়র সহকারী সচিব পদোন্নতি পেয়ে উপ-সচিব হন।

তাদের মধ্যে ৩৩৭ জনের নামা প্রজ্ঞাপনে থাকলেও বাকিরা আছেন শিক্ষা ছুটিতে।

জানা গেছে, এ ক্ষেত্রে বিসিএসের ২৭তম ব্যাচ বিবেচনায় নেয়া হয়, যাদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের ২৪০ জন। সব মিলিয়ে পদোন্নতি পাওয়াদের ২৭৮ জনপ্রশাসন ক্যাডারের। আর অন্যান্য ক্যাডারের ৮০ কর্মকর্তা রয়েছেন এ তালিকায়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণঅলয়ের এক কর্মকর্তা বলেন আলোচিত সারোয়ার আলমও বিসিএসের ২৭তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের।

২০০৮ সালের নভেম্বরে কাররিতে যোগ দেন তিনি। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা দেখিয়ে ২০১৪ সালের ১ জুন পদোন্নতি পেয়ে

সিনিয়র সহকারী সচিব হন সারোয়ার আলম। এ পদে প্রায় ৭ বছর সহ মোট ১২ বছরের বেশি সময় প্রশাসন ক্যাডারে কর্মরত তিনি।

পদোন্নতির সকল শর্ত পূরণ ছাড়াও বিভাগীয় কোন অভিযোগ নেই সরোয়ার আলমের বিরুদ্ধে। অধিকিন্তু আলোচিত অনেক গুলো

সাহসী অভিযান পরিচালনা করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। তার পরও পদোন্নতি না হওয়া নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন সামাজিকমাধ্যমে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে, রোববারের পদোন্নতিতে সারোয়ার আলম সহ বিসিএস ২৭তম ব্যাচের ৩০ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি পাননি।

ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারির পর আমার নাম নেই দেখে অবাক হয়েছেন অনেকেই।

সবসময় জনগণের জন্য কাজ করায় বিষয়টি কেউই বিশ্বাসকরতে পারছেন না এ বিষয়ে মন্ত্রালয়ের নিয়োগ পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি)

অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আনিছুর রহমান মিঞা বলেন যোগ্য সকলেই পদোন্নতি পেয়েছেন। বাকিদের নিয়ে কিছু বলার অধিকার নেই আমার।

সবকিছু বিচার-বিশ্লেষণ করেই সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড পদোন্নতি দিয়ে থা কে। সরকারের পদোন্নতি বিধিমালা (২০০২) অনুযায়ী উপ-সচিব পদের ক্ষেত্রে

৫ বছর সিনিয়র সহকারী সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে কমপক্ষে ১০ বছর থাকতে হয়।

এ ছাড়া ১০০ নম্বরের (মূল্যায়ন) মধ্যে পেতে হয় ৮৩।