
অনলাইন ডেস্ক : ২০২৫ সালে গাজা উপত্যকা সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থানে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইউনিয়ন। সংগঠনটির মতে, ২০২৩ সালে অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সহিংস অভিযানের ভয়াবহ চূড়ান্ত পর্যায় ছিল ২০২৫ সাল, যেখানে পরিকল্পিতভাবে বহু সাংবাদিককে হত্যা ও আহত করা হয়েছে।
গত ২৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইউনিয়নের ফ্রিডমস কমিটি অভিযোগ করে, ইসরাইলের ‘হত্যা, আহতকরণ ও স্থায়ী অক্ষমতার মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চুপ করার’ একটি সুস্পষ্ট নীতি বাস্তবায়ন করছে। কমিটির ভাষায়, সাংবাদিকদের কাজ সীমিত করার পর্যায় ছাড়িয়ে ইসরাইল এখন ‘প্রাণঘাতী শক্তির মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমকে নিষ্ক্রিয়’ করার পথে এগিয়েছে যার উদ্দেশ্য সাক্ষী মুছে ফেলা, যুদ্ধাপরাধের নথিভুক্তকরণ ঠেকানো এবং মাটিতে থাকা ফিলিস্তিনি বাস্তবতা চাপা দেয়া।
এ সময়ে অন্তত ৭৬ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক নিহত বা আহত হয়েছেন। সাংবাদিকদের হত্যা, আহত ও স্থায়ীভাবে পঙ্গু করার মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চুপ করার একটি পরিকল্পিত নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংবাদিকদের তাঁবু, হাসপাতাল, স্কুল, ব্যক্তিগত বাড়ি ও সংবাদ কভারেজের সময় লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মাথা ও গলায় গুলি করে ইচ্ছাকৃতভাবে স্থায়ী অক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে।
ফ্রিডমস কমিটির প্রধান মুহাম্মদ আল-লাহাম বলেন, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং ‘সাক্ষী ও সত্য মুছে ফেলার’ একটি ধারাবাহিক কৌশল। তিনি একে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইউনিয়ন আরো জানায়, আন্তর্জাতিক মহলের নীরবতা এসব হামলাকে উৎসাহিত করছে, যা ভবিষ্যতে সাংবাদিক ও সত্যের ওপর আরো আক্রমণের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। সূত্র:ই










