“রমজান আত্মশুদ্ধির অন্যতম এক পন্থা।”

লেখক:_মো:ওসমান হোসেন সাকিব
তারিখ:_(২৫-০৩-২০২৫)ইং

ইসলামের পাঁচ রুকনের মধ্যে সাওম দ্বিতীয়। বছর ঘুরে মুসলিমের দ্বারে রমজান ফিরে একবার।ত্রিশ রোযা পালনে নির্দেশ আসে স্বয়ং রবের থেকে।সমগ্র বিশ্বে মুসলিম সম্প্রদায় রমজান মাসে আত্মসংযমের দিকে ধাবিত হয়।

ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের মধ্যে রোযা অন্যতম।ইসলাম অর্থ শান্তি।আর রোযা নিয়ে আসে মুসলিমদের কাছে শান্তির বার্তা।সকল ধরণের অনৈতিক কার্যকলাপ থেকে দূরে থেকে সাওম মানুষকে শিক্ষা দেয় শরীয়তসম্মত জীবনধারা, ধৈর্য্য ও খোদাভীতি।সারাবছর মানুষ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকলেও রমজানে মাসে এসব কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে।

আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেন,”রোযা আমার জন্য, আমি নিজেই উহার প্রতিদান দিব।”এই আয়াতের মাধ্যমে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের রোযার গুরুত্বের প্রতি তাগিদ দেন।তিঁনি চান, বান্দা এই মাসে তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুক।কারণ,তিনি ক্ষমাশীল।এই পবিত্র মাসে বান্দা যদি ভুড়ি ভুড়ি গুনাহ নিয়ে আল্লাহ কাছে হাজির হন, তিনি ক্ষমা করতে দ্বিধাদন্ধ করেন না।

আল্লাহ তাঁর বান্দাদের রমজান মাসে বেশি বেশি ইবাদতে মগ্ন থাকতে বলেছেন।তিনি পবিত্র রমজানে শয়তানকে শিকল বন্দি করেছেন।জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন আর জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।যাতে মানুষ ইবাদতের স্বাদ আস্বাদন করতে পারেন।মানুষ যাতে ভালো কাজের প্রতি ধাবিত হয় আর খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকে এটাই সাওমের মূল লক্ষ্য।

এই মাসে মানবজাতিকে আত্মশুদ্ধির পথে আহবান করেছেন স্বয়ং আল্লাহ।ফরজ ইবাদতগুলো পালনের পাশাপাশি দান-সদকা,তাসবিহ-তাহলীল,নফল ইবাদত করার বেশি বেশি তাগিদ দিয়েছেন।রমজান মানুষকে ইমানদার হতে শিখায়।মন্দ কাজ বর্জন,সত্যেকে আকঁড়ে ধরা,সুদ-ঘুষ থেকে দূরে থাকা,হালাল রিজিক গ্রহণ করার শিক্ষা ও আমরা সাওম থেকে পেয়ে থাকি।

সাওম আমাদের শিক্ষা দেয় মুত্তাকি(খোদাভীরু) হতে।আর আত্মশুদ্ধি বিনা মুত্তাকি হওয়ার অসম্ভব।

লেখক:_প্রাবন্ধিক ও গবেষক।

মন্তব্য করুন