
অনলাইন ডেস্ক : মিয়ানমারে শক্তিশালী ভূমিকম্পে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১,০০২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২,৩৭৬ জন এবং নিখোঁজ রয়েছেন ৩০ জন। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মিয়ানমারের জান্তা সরকার এই তথ্য জানিয়েছে এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে।
মিয়ানমারে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় শনিবার বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র মিয়ানমারের মান্দালয় শহর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে, এবং এটি ১০ কিলোমিটার গভীরে হয়েছিল। এই ভূমিকম্পের পরপরই কমপক্ষে ১৪টি আফটারশক আঘাত হানে, যার মধ্যে ৬.৭ মাত্রার সবচেয়ে শক্তিশালী আফটারশকটি ছিল।
মিয়ানমারে ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে মান্দালয় শহরে। ৪.৯ এবং ৬.৭ মাত্রার আফটারশক দুটি শহরের কাছে আঘাত হানে, যেখানে যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। অন্য আফটারশকগুলো মূল ভূমিকম্পের উত্তর ও দক্ষিণে আঘাত হেনেছে। স্থানীয় মানুষজনের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এবং উদ্ধার কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
এদিকে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস ভূমিকম্পের পরবর্তী সতর্কতা জারি করেছে, যা দেশটির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে হবে, যাতে আরও প্রাণহানি এড়ানো যায়।
এই ধরনের শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে মিয়ানমারে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা পাঠানোর জন্য তৎপর হতে হবে, যাতে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ই:প্র।