নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত-১৪

অনলাইন ডেস্ক: নাটোরে বাস ও বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে আরো কমপক্ষে ২০ জন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সোয়া ৪টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের মধ্যে ৬জনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন— রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরআদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সোহেল রানা (৪০), বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ারুল হক (৩০), পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের মরহুম শহীদুল ইসলামের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮), শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের জহরউদ্দিনের ছেলে জুয়েল (৪০), একই উপজেলার ডুবি সাহাপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ (৩০) এবং জাহান উদ্দিন মোল্লার ছেলে আব্দুস সালাম মোল্লা (৪৬)।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানায়, বরিশাল থেকে আসা আরপি নাইস পরিবহনের একটি বাসের সাথে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১০ জনের মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনাটি ভয়াবহ হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, তবে চেষ্টা চলছে। সাময়িকভাবে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ থাকলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সকল বাহিনী কাজ করছে।

নাটোর ফায়ার সার্ভিস ও বড়াইগ্রাম থানা সূত্রে জানায়, সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ১০ জনের মৃত্যু হয়। আহত হয় কমপক্ষে ২০ জন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়, বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো চারজনের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের আজকের দিনে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে রেজুর মোড়ে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত হয়েছিল।ই

মন্তব্য করুন