“দেশের ক্রান্তিকাল ও জিয়া পরিবার।”

>১৯৭১ সালের পূর্বে_
যুদ্ধ না হলে যেমন আমরা একটা স্বাধীন দেশ পেতাম না,মেজর জিয়াউর রহমান না হলে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পারতাম না।১৯৭১ সালের যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কলে অনেক রাজনৈতিক নেতা যখন পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের কাছে আসন ভাগাভাগি ও ক্ষমতা বিরাজে ব্যস্ত, তখন জিয়াউর রহমান নিপীড়িত জনতার কণ্ঠের সাথে তাল মিলিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

>১৯৭৫ পরবর্তী সময়:_
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবিদ্রোহে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়া পর দেশে যখন চরম নেতৃত্ব সংকট,পরাশক্তির আধিপত্য বিস্তার ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়া মত পরিবেশে উপক্রম হলো তখনই মেজর জিয়াউর রহমানের ৭ই নভেম্বর “ঐতিহাসিক সিপাহি-জনতা বিপ্লব” এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন স্বপ্নের আশা দেখেছিল।সাথে সাথে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা হয়েছিল।

>১৯৮১ পববর্তী সময়_
১৯৮১ সালের ৩০মে তৎকালীন দুষ্কৃতকারী সেনাসদস্য হাতে রাষ্ট্রনায়ক মেজর জিয়া নিহত হওয়ার পর দেশ এক নব্য স্বৈরশাসকের হাতে চলে যায়।দীর্ঘ নয়বছর বেগম জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্বে দেশ পুনরায় স্বৈরাচার এরশাদের হাত থেকে রক্ষা পায়।

>২০০৭ সাল_
২০০৭ সালে মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীন এর আমলে যখন প্রধান বড় দুইদলের নেত্রীদের প্রতি চরম নির্যাতন শুরু করে তাদের রাজনীতির অবসান ঘটাতে চেয়েছিল,তখন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম জিয়া উক্তি ছিল,” এই দেশেই আমার ঠিকানা।এইদেশ বাদে বাইরে আমার কোনো স্থান নেই।”

>২০২৪ সাল_
২০০৮ সাল পরবর্তী সময় থেকেই ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পূর্ববর্তী সময় পযর্ন্ত দীর্ঘ ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের অবস্থান ছিল অবিচল।

>২০২৪ সাল পরবর্তী সময়_
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ড.মুহাম্মদ ইউনুস অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার দেশ স্থিতিশীল হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে যায়।গত ২৫শে ডিসেম্বর ২০২৫ জনাব তারেক রহমান দেশে আগমন করাতে আশা করছি দেশে স্বস্তি ফিরে আসবে।দেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল শক্তির অংশগ্রহণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

লেখক:-মো:ওসমান হোসেন সাকিব
তারিখ:২৬/১২/২০২৫ইং

মন্তব্য করুন