নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে মোবাইল ফোন হারানোর পর বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ৯০ হাজার ১৫ টাকা সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল কাদিরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছেন ১ পোশাকশ্রমিক।
মামলার আবেদনকারী মোহাম্মদ করিম মোল্লা চট্টগ্রামের বেসরকারি এশিয়াটিক কটন মিলসের কর্মী। তাঁর আইনজীবী মোহাম্মদ আনসার উল্লাহ জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবেদনটি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে আদেশ দিয়েছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ অক্টোবর রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে করিম মোল্লার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যায়। পরদিন ২৫ অক্টোবর তিনি পতেঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ২৬ অক্টোবর নতুন ফোন কিনে একই নম্বরের সিম চালু করেন। কিন্তু বিকাশ অ্যাকাউন্টে আগের পিন দিয়ে আর প্রবেশ করতে পারেননি।
পরে বিকাশের হেল্পলাইন ১৬২৪৭-এ যোগাযোগ করে তিনি জানতে পারেন, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ব্যবহার করে কাস্টমার কেয়ার থেকে অস্থায়ী পিন সংগ্রহ করেছেন। ওই পিন ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন নম্বরে ৯০ হাজার ১৫ টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়।
করিম মোল্লার অভিযোগ, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতারকদের অস্থায়ী পিন সরবরাহ করেছে বিকাশ কর্তৃপক্ষ। এতে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
এ ঘটনায় ডিজিটাল প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২২(২), ২৪(২), ২৭ ও ২৯ ধারায় মামলার আবেদন করেছেন তিনি।
আবেদনে অভিযুক্ত নয়জনের মধ্যে শুধু বিকাশের সিইও কামাল কাদিরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি আটজনের পরিচয়ের পরিবর্তে তাঁদের মোবাইল নম্বর ও লেনদেনের আইডি দেওয়া হয়েছে। আইনজীবী আনসার উল্লাহর ভাষ্য, আত্মসাৎ করা টাকা ওই নম্বরগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে।পূ