
নিজস্ব প্রতিনিধি : উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক সাধনার প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের অন্যতম প্রাণপুরুষ হযরত গাউসুল আজম শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবাভাণ্ডারীর (ক:) ৮৯তম পবিত্র ওরশ শরীফ ৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে। ৫ এপ্রিল, ২২ চৈত্র শনিবার আখেরি মোনাজাত। মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত ওরশ শরীফ উপলক্ষ্যে বাবাভাণ্ডারীর রওজা দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। এছাড়াও দরবার শরীফের বিভিন্ন রওজাসহ মঞ্জিল গুলোকে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়। ওর শরীফকে কেন্দ্র করে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডরীয়াসহ বিভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন মঞ্জিলের উদ্যোগে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খতমে কোরআন, খতমে গাউছিয়া শরিফ, গাউসুল আজম বাবাভাণ্ডারী (ক:) রওজায় নতুন গিলাপ ছড়ানো, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, যৌতুক, মাদক, অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে গণ সচেতনতায় ক্যাম্পিং, ওয়াজ, মিলাদ, ছেমা- কাওয়ালী, তবরুক বিতরণ ।
বাবাভাণ্ডারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, গাউছিয়া রহমানিয়া মইনীয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন ও মোন্তাজেম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপি’র চেয়ারম্যান শাহসুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী জানান ওরশ শরীফকে কেন্দ্র করে পুরো দরবার শরীফকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা হয়। সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আনজুমানের দুই হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করবেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তবৃন্দদেরকে নিয়ে আগত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিকের সাথে যানবাহন শ্রমিক সমিতির নেতা কর্মীরা থাকবেন। গাউছিয়া রহমানিয়া মইনীয়া মঞ্জিলে খোলা হয় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
তিনি বলেন, এবছর ওরশ শরীফ ঈদের পরপর হলেও কমপক্ষে ১০ /১২ লক্ষ ভক্ত আশেকানের উপস্থিতি আশা করা যাচ্ছে। শুক্রবার মুসল্লিদের উপস্থিতিতে জুমার নামাজের ইমামতি ও ওরশ শরীফের প্রধান এবং শেষ দিবস শনিবার রাতে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করবেন হযরত শাহসুফি সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (ম:জ:আ)।