স্বাধীনতা কোনো একক দলের কৃতিত্ব নয়: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের স্বাধীনতা কোনো একক দলের কৃতিত্ব নয় বরং এ অর্জন গোটা জাতির ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের ফসল। ১৯৭১ সালে এ দেশের সাধারণ মানুষ, আলেম-ওলামা, ছাত্র-জনতা, শ্রমিক-কৃষক সকলেই বুকের তাজা রক্ত ঢেলে এই স্বাধীনতা অর্জন করেন।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে জমিয়ত কার্যালয়ে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক এসব কথা বলেন।

আরো বক্তব্য রাখেন, দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী,মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, সহকারী মহাসচিব মুফতি মকবুল হোসাইন কাসেমী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাযহারী, প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী,সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা নুর মুহাম্মদ কাসেমী, মাওলানা আবুল বাশার, মুফতি মাহবুবুল আলম কাসেমী, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মুফতি হাসান আহমদ, মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউছুফ ফাহিম, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল বাকী,এম মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, ছাত্র জমিয়ত সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী,হাফেজ কাউসার আহমদ।

মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক আরও বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি অবস্থায় ছিলেন। অন্যদিকে, তৎকালীন সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং চট্টগ্রাম থেকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাও’ দিয়েছেন। তাঁর দেশপ্রেম ও সাহসিকতা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। মরহুম সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সক্রিয় ভূমিকার কারণেই বিশ্বের মানচিত্রে আল্লাহর রহমতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ পেয়েছি।

বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ইতিহাসকে দীর্ঘ দিন একটি দল দলীয়করণের মাধ্যমে সংকীর্ণ করে রেখেছিল। এখন সময় এসেছে, প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরে সম্মিলিত ত্যাগকে স্বীকৃতি দিয়ে নতুন প্রজন্মকে সত্য জানানোই হোক বিজয়ের চেতনা।ই

মন্তব্য করুন