tag: সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকে মামলা থেকে খারিজ। আমাদের খবর
Wed. Oct 28th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকে মামলা থেকে খারিজ।

1 min read
সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকে

সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকে মামলা থেকে খারিজ। সিনহা হত্যা মামলায় কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদকে মামলা থেকে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। তবে মামলাটি তদন্ত কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে পুলিশ সুপারকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করতে পারবেন। কক্সবাজার জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটির আদালতের উদধৃতি দিয়ে সাংবাদিকদের এই সকল তথ্য নিশ্চিত করেন।

তার আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে পুলিশ সুপারকে আসামি করার আবেদন করেন। আবেদনটি আমলে নিয়ে শুনানি শেষে আদেশের অপেক্ষায় ছিলেন। বিরতির পর আদালত বিকাল ৫ ঘটিকার সময় আবেদনটি খারিজ করে দেন।

আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে পাবলিক প্রসিকিউটির পিপি ফরিদুল আলম জানান, নতুন করে আসামি করার জন্য বাদির এখতিয়ারে নেই।

যদি দরকার হয় তবে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা বাদির অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করে দাবি যথাপযুক্ত হলে নতুনভাবে অন্যকাউকে আসামি করতে পারে।

এদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী সিনিয়র এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে জানিছেন।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন মেজর সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেই চলেছেন।

তিনি সিনহা হত্যা মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক লিয়াকতকে কারাগারে ডিভিশন দেয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। আসামিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

অর্থাৎ এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন তার দাপ্তরিক কার্যক্ষমতা আসামিদের পক্ষে কাজে লাগাচ্ছেন।

তাই তাকে মেজর সিনহা হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলাম।

মামলার বাদী ও মেজর সিনহার বড় বোন শারমীন শাহরিয়া ফেরদৌস জানিয়েছেন।

এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন ঘটনার শুরু থেকেই আসামিদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।

উনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মেজর সিনহার মানহানি করেছেন।

ওই সময় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, মেজর সিনহার গাড়িতে তিনি ইয়াবা ও মাদকদ্রব্য পেয়েছিলেন।

একজন পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি এটি বলতে পারেন না। তিনি তদন্তকাজে প্রতিনিয়ত বাধা সৃষ্টি করে চলেছেন।

সিনহা হত্যা মামলায়

উল্লেখ্য, গত ৩১শে জুলাই রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের ফেরার পথে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো: রাশেদ খান। তারপর গত ৫ই আগস্ট টেকনাফ থানার পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরো পড়ুনঃ ওসি প্রদীপ কুমার ২২ মাসে ১৪৪ ক্রসফায়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *