tag: সাদেক বাচ্চুর জন্য দেশবাসীর দোয়া চাইলেন তার স্ত্রী। আমাদের খবর
Tue. Oct 27th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

সাদেক বাচ্চুর জন্য দেশবাসীর দোয়া চাইলেন তার স্ত্রী।

1 min read
সাদেক বাচ্চুর জন্য দেশবাসীর দোয়া

সাদেক  বাচ্চুর জন্য দেশবাসীর দোয়া চাইলেন তার  স্ত্রী। সাদেক বাচ্চু আমার স্বামী যে সঞ্চয় রেখে গেছেন তা নিয়ে আমি বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে মোটামুটি সুন্দরভাবে চলতে পারবো।

ফেসবুকে মর্মান্তিক কিছু কথাবার্তা লেখা হচ্ছে আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ফেসবুকে অনেক কিছুই বিকৃত করে তুলে

ধরার চেষ্টা করেন। আমি কারো কাছে কিছুই চাই না শুধু আমি আমার বাচ্চা কাচ্চা আমার স্বামীর জন্য দোয়া চাই। দেশবাসীর

দোয়া পেলেই আমরা সুন্দর ভাবে চলে যেতে পারবো।

সোমবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে কথা গুলো বলছিলেন অভিনেতা সাদেক বাচ্চুর স্ত্রী শাহনাজ। তিনি বললেন আমার

স্বামী মারা যাওয়ার একদিন পর আপনাদের সাথে কথা বলেছিলাম। স্বামীকে হারিয়ে আমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম।

সেদিন অনেক কিছুই সুস্থির ছিল না। আপনাদের সংবাদের পর ফেসবুকে খুব বাজে বাজে কথা লেখা হচ্ছে। যেসব আমার

আত্মীয় স্বজনদের চোখে পড়ে, তারা আমাদের জিজ্ঞেস করে আমরা বিব্রত হই।

 আমার তিন ছেলেমেয়ে, তিনজনই মাশাল্লাহ ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ে। তিনজনই পড়ে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল কলেজে।

আমি সুন্দরভাবে বাচ্চাদের নিয়ে সংসার চালিয়ে নিতে পারবো। আমার কারো আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন নেই।

আমি বলেছি, দুঃস্থ শিল্পীদের পাশে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী দাঁড়ান, কারণ আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আর্থিক সামর্থ সেই অর্থে নেই।

অনেক ভালো ভালো শিল্পীকেও সহায়তা নিতে হয়। মাশাল্লাহ আমার আর্থিক নয়, শুধু দোয়া দরকার বাকিটা আমি সামলে নিতে পারবো।

আমার

 আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি, আমার ছোট বাচ্চা, সব উনি সামলে রেখেছিলেন। হুট করে এভাবে চলে যাবেন, আমরা ভাবতেও পারছি না।

কি করব না করব কিছুই ভাবতে পারছি না। কথার ব্যখ্যা দিলেন, সর্বস্বান্ত বলতে আসলে স্বামীকে হারিয়ে আর কি থাকে মানুষের বলেন।

একটা পরিবারের ছাদ তিনি। সেই ছাদ সরে গেলে তো মানুষের আর সেই অর্থে কিছুই থাকে না।

 সাংবাদিকদের ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়, “তাঁর মৃত্যুতে সবচেয়ে বেশি মুষড়ে পড়েছেন স্ত্রী শাহনাজ

সাদেক বাচ্চু নিজের ভাইবোনদের মানুষ করতে গিয়ে মাত্র ১৫ বছর মাস বয়সে চাকরি নেন।

বিয়ে করেন একেবারে ৪০ বছর পেরিয়ে গেলে। স্বামীর মৃত্যুতে একেবারে ভেঙে পড়েছেন স্ত্রী শাহনাজ।

সাদেক  বাচ্চু

২০১৩ সালে সাদেক বাচ্চুকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল। সে সময় ইউনাইটেড হাসপাতলে খরচ হয়েছিল ৩০ লাখ টাকা। যা সাদেক বাচ্চুর অবসরের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে পরিশোধ করা হয়। তারপর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা। তার পরেও ফেরানো যায়নি সাদেক বাচ্চুকে। তিন অপ্রাপ্ত বয়সের ছেলেমেয়েকে রেখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।

২০১৩ সালে ব্রেনস্ট্রোক করে, লাইফ সাপোর্টে চলে গিয়ে ছিলেন দিন। সে সময় রিটায়ারমেন্টের টাকা মিলিয়ে ৩০ লাখ টাকা ইউনাইটেড হাসপাতালকে পরিশোধ করতে হয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবেই এটা একটা বড় অর্থনৈতিক ধাক্কা। তবুও আত্মবিশ্বাসী শাহনাজ বলেন, আমার স্বামীর পেনশনের টাকা অন্যান্য গচ্ছিত বিষয় গুলো হিসেব করে দেখেছি, আমরা সাচ্ছন্দেই চলতে পারবো। আমার তিন বাচ্চার জন্য দোয়া করবেন তারা যেন মানুষের মতো মানুষ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *