tag: সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের জাদুকর। আমাদের খবর
Tue. Oct 20th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের জাদুকর।

1 min read
সজীব ওয়াজেদ জয়

সজীব ওয়াজেদ জয় তারুণ্যের জাদুকর। প্রজন্ম কথাটা আমরা ইদানিং খুব ব্যবহার করি। ‘তরুণ প্রজন্ম’ কথাটা আজ বিশ্বের সব জায়গায় বহুল ব্যবহৃত শব্দ।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একজন আইকন একটা প্রজন্মের জন্য হয়ে ওঠে,বদলে দেও জয়গান।

বাংলাদেশের এমন একজন তরুণ আইকন, যিনি বদলে দিয়েছেন দেশের বেকার যুবকদের ভাগ্য এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা।

সেই স্বপ্ন পূরণের পথে দুর্বার গতিতে আমাদের ছুটে চলা যার হাত ধরে, তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়।

লেখার শুরুতেই তাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটা বক্তব্য খুব মনে পড়ছে। ২০১৮ সালে জুলাই মাসের ২৫ তারিখ  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন। নিজে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেই ‘টাকার অভাবে’ একমাত্র ছেলে  জয়কে যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) পড়াতে পারেননি। ছেলে-মেয়ে ও ভাগনে-ভাগ্নিদের লেখাপড়া নিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের ছেলে-মেয়েরা পড়াশোনা করেছে, চাকরি করেছে। পড়ার মাঝে গ্যাপ দিয়ে চাকরি করে আবার পড়াশোনা করেছে।

একবার গ্র্যাজুয়েশন হয়েছে, কিছু দিন চাকরি করেছে। স্টুডেন্ট লোন নিয়েছে, সেটা শোধ দিয়েছে আবার ভর্তি হয়েছে মাস্টার্স ডিগ্রি করেছে।

আবার সেই লোন শোধ দিয়েছে, এইভাবে পড়েছে।

পড়াশোনা করা অবস্থায়ও ঘণ্টা হিসেবে কাজ করেছে, প্রতি ঘণ্টা একটা ডলার পেত, সেটা দিয়ে তারা চলত।

টাকার অভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এমআইটিতে দুই সেমিস্টার পড়ে ছেলে জয়ের সেখান থেকে চলে আসার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভারতের ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করার পর জয় কিছু দিন চাকরি করে। তারপর আরও উচ্চ শিক্ষার জন্য এমআইটিতে (আমেরিকা) চান্স পেল। আমি তার শিক্ষার খরচ দিতে পারিনি। দুটো সেমিস্টার পড়ার পর নিজে কিছু দিল, আমাদের কিছু বন্ধুবান্ধব সহযোগিতা করল, যার জন্য যেতে পারল। আর আব্বার বন্ধু আমার ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সব দায়িত্ব নিয়েছিলেন। উনি বলতেন, তুমি পলিটিক্স করো এটা আমার ওপর ছেড়ে দাও। তিনি না থাকলে আমি পড়াতে পারতাম না। এমনকি মিশনারি স্কুলে তারা পড়েছে। সাত দিনই সবজি বা ডালভাত খেতে হতো, একদিন শুধু মাংস খেতে পারত। এভাবে কৃচ্ছ সাধন করে এরা বড় হয়েছে।

থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘যখন এমআইটিতে দিতে পারলাম না।

আমি প্রধানমন্ত্রী, আমার দ্বিধা হল, কাকে বলব টাকা দিতে বা কিভাবে আমি টাকা পাঠাবো, বুঝতে পারিনি। কার কাছে দেনা হব? আমার কারণে তার পড়া হল না। দুটো সেমিস্টার করে তাকে বিদায় নিতে হল। তারপর সে চাকরিতে ঢুকল।

সজীব ওয়াজেদ জয় ২০০৭ সালে মায়ের অনুরোধেই হার্ভার্ডে ভর্তির আবেদন করেন। সেই সময়ের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৭ সালে বউমা অসুস্থ হলে দেখতে গেলাম। তখন তাকে অনুরোধ করলাম। কারণ আমার ভেতরে এই জিনিসটা খুব কষ্ট লাগত যে, আমি প্রধানমন্ত্রী হলেও তার পড়ার খরচ দিতে পারিনি। তখন আমি বললাম, তুমি হার্ভার্ডে আবেদন কর। আমি অনুরোধ করার পর সত্যি সে আবেদন করল, চান্স পেয়ে গেল। ছেলেকে প্রথম সেমিস্টারের টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিলেও সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার হয়ে তা আর সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমি কথা দিয়েছিলাম, ফার্স্ট সেমিস্টারের টাকা আমি দেবো। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার আগে গ্রেফতার হয়ে গেলাম।

তবে আমি চেয়েছিলাম, চান্স যখন পেয়েছে যেভাবে পারুক চালাক।

পরে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে তা ভাড়া দিয়ে সেই ভাড়ার টাকা দিয়ে, কলেজ থেকে দূরে বাসা নিল।

যাতে সস্তায় বাসা পায়, গাড়ি রেখে মোটরসাইকেল চালিয়ে সে আসত।

রেহানার মেয়ে অক্সফোর্ডে চান্স পেয়েছে সে পড়াশোনা করল-  স্টুডেন্ট লোন নিয়ে তারপর পড়াশোনা শেষে চাকরি করে লোন শোধ দিল, সে ২১ বছর বয়স থেকে চাকরি করে।

কয়েক বছর চাকরি করার পর সে মাস্টার্স ডিগ্রি করল, আবার চাকরি করল।

সজীব ওয়াজেদ জয় ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া শেষ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন। তারপর হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর করেন।

জয়

জয়ের জন্ম ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই। বাংলাদেশ এর জাতির জনক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তান  জয়। শৈশব, ছেলেবেলা আর সাধারণের মতো কাটেনি তার জীবন। তার জন্মের সময় থেকে তার মা-নানিসহ পরিবারের সবাই গৃহবন্দি। বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর দেশের স্কুলে লেখাপড়া করার সুযোগ হয়নি।

বেকারত্ব ছিল বাংলাদেশের তরুণদের জন্য অভিশাপ। সেই অভিশপ্ত জনশক্তিই এখন বাংলাদেশের সম্পদ। এখন তরুণ প্রজন্ম চাইলে নিজেকে চাকুরির বাজারে না নিয়েই ঘরে বসে টাকা উপার্জন করতে পারে। হতে পারে উদ্যোক্তা, তার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হচ্ছে সুলভ মূল্যে বেশি গতির ইন্টারনেট। সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে এবং দিক নির্দেশনায় কমতে থাকে বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মূল্য।

১৯৯৬ সালে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল যখন ক্ষমতায়। তখন থেকেই সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দলের জন্য কাজ করতে গিয়েই তিনি বুঝতে পারেন তরুণ প্রজন্মকে ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেই ভাবনা থেকেই তিনি তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগাতে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। তার এই দূরদর্শিতার কারণের খুব অল্প সময়ের মধ্যে সীমিত জনবল নিয়েও চলতে থাকে। বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ার সাথে ভালো ভাবেই সংযুক্ত করতে পেরেছে।

২০০০ থেকে ২০০৮ সাল এই সময়ে বাংলাদেশ ছিল অন্ধকার জনপদ। দেশের তেমন কোনো উন্নয়ন তো হয়ইনি। বরং দেশের হতাশ তরুণ প্রজন্মও জড়িয়ে যাচ্ছিল জঙ্গিবাদের করাল গ্রাসে। সেই অবস্থা থেকে আজকের ২০২০ সালের এর বাংলাদেশ অনেকটাই পরিপক্ব, সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় শক্ত অবস্থান পেয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের দূরদর্শী নেতৃত্বেই।

১৭ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে সজীব ওয়াজেদ জয়কে শেখ হাসিনার সম্মানসূচক আইসিটি উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়। বলে রাখা ভালো এ পদের জন্য কোনো বেতন নেন না তিনি। এই সময়েই শুরু হয় বাংলাদেশ এর মহাকাশে পদার্পণের স্বপ্ন বাস্তবায়নের যাত্রা।

জাতির পিতা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গাজীপুরের বেতবুনিয়া কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপনের মধ্য দিয়ে। মহাকাশ গবেষণার স্বপ্নের যে বীজ বপন করেছিলেন তারই সফল বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাই বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এমন একটি অভিজাত ক্লাবের সদস্য যেখানে মাত্র ৫৬টি দেশের অবস্থান। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট অনেকটা এগিয়ে দেয় বাংলাদেশকে।

তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে দেশে তৈরি করা হচ্ছে হাইটেক পার্ক। তরুণ প্রযুক্তিবিদদের মিলনমেলা ঘটছে এসব হাইটেক পার্কে। গাজীপুরে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা-সমৃদ্ধ হাইটেক পার্কে করা হবে দেশের প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া বিশ্বের সবচেয়ে বড় ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল তৈরি করেছে বাংলাদেশ, যেখানে যুক্ত রয়েছে পঁচিশ হাজারের বেশি ওয়েবসাইট। সুদক্ষ পরিকল্পনা এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই আজ বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সারদের দুনিয়ায় শক্ত অবস্থান করে নিতে পেরেছে। বাংলাদেশ সরকারের টেকসই উন্নয়নের যে মহাপরিকল্পনা সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই শিক্ষিত দক্ষ প্রযুক্তিমুখী তরুণ প্রজন্ম।

সজীব ওয়াজেদ জয় জানেন আজকের দুনিয়ায় “ডাটা” কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই দেশের প্রতিটা মানুষের ডাটা ডিজিটালি সংরক্ষণের চিন্তা থেকেই বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রকে করা হয় “স্মার্ট। পাসপোর্টকে করা হয় মেশিন রিডেবল। এতসব প্রজেক্টে থাকা ডাটাগুলোকে আবার নিয়ে আসা হয় একটা সেন্ট্রাল ডাটাবেসে। যেখান থেকে এখন সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলো যে কারো পরিচয় সহজেই নিশ্চিত হতে পারে।

আমরা অবাক হয়ে দেখি এখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আগের চেয়ে অনেক দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করে ফেলতে পারছে। এবং তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারছে। এসবই সম্ভব হয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হওয়ায়। দেশের আইসিটি খাতকে এগিয়ে নিতে এবং পূর্ণাঙ্গ-স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে। দুইটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এর একটি হচ্ছে, ক্যাশলেস সমাজ গঠন অর্থাৎ সকল লেনদেন নগদের বদলে ডিজিটাল মাধ্যমে করা। অপরটি হচ্ছে সকল সরকারি সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা।

ক্যাশলেস সমাজ

ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তুলতে পারলে দুর্নীতি কমে যাবে; সরকারের আয় বাড়বে,  সবার টাকার একটা ‘ট্রেস’ থাকবে।

আর সরকারি সেবাগুলোকে পুরোপুরি অনলাইনে নিয়ে আসতে হবে।

জনগণ যেন ‘ইন লাইন’ (অপেক্ষমাণ) না থাকেন বরং ‘অনলাইন’ থাকেন।

সেই বিষয়ে সজীব ওয়াজেদ কাজ করে যাচ্ছেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২৭ জুলাই ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী এমএ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির ঘরে জন্ম  জয়।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জয় নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়।

পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি,  তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে।

সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া শেষ করে।

তারপর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি।

পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন সজীব ওয়াজেদ জয়।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্লোগানটি যুক্ত হয় তার নেপথ্যে ছিলেন জয়।

পরবর্তী সময়ে পর্দার অন্তরালে থেকে গোটা দেশে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়কে অবৈতনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেয়া হয়।

লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে।

ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেয়া হয় তাকে।

যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজনীতিতে আসেন জয়। বর্তমানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন।

স্বপ্নচারী

আমরা প্রত্যেকেই স্বপ্নচারী। আমাদের মতো জয়ও একজন স্বপ্নচারী মানুষ এবং তিনিও স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন।

তবে আমাদের অনেকের চেয়ে তিনি যে কারণে আলাদা সেটি হচ্ছে তিনি শুধু স্বপ্ন দেখেনই না।

সেই স্বপ্ন অন্যকে দেখাতেও পারেন, সেই স্বপ্নকে আমাদের হাতের মুঠোয় দিয়ে দিতে পারেন।

বলা যায় তিনি একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। জয় একজন স্বপ্নচারী মানুষ, একজন তারুণ্যের জাদুকর।

আরো পড়ুনঃ প্রধানমন্ত্রীর জন্য বীমা কোম্পানিতে চাকরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *