tag: রিজেন্ট সাহেদের দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক। | Crime
Fri. Jan 22nd, 2021

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

রিজেন্ট সাহেদের দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক।

1 min read
রিজেন্ট সাহেদের দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

রিজেন্ট সাহেদের দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক। দেশের ‘শীর্ষস্থানীয় জালিয়াত’ ও ৫৬ প্রতারণা মামলার আসামি মো. সাহেদ। তিনি রিজেন্ট হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম। তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয় বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন দুদকের পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

মাইক্রোক্রেডিট ও এমএলএম ব্যবসার নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সাহেদ চক্রের বিরুদ্ধে।

তাছাড়া বহুমাত্রিক জাল-জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজগে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে।

করোনা টেস্ট নিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগ আসে সাহেদের বিরুদ্ধে।

আয়কর ফাঁকি, ভুয়া নাম ও পরিচয়ে ব্যাংক ঋণ নিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের বিষয়টি আমলে নিয়েছে দুদক

তার আগে কমিশনের সংশ্লিষ্ট অনুবিভাগ গুলো বিভিন্ন ব্যক্তি, গণমাধ্যম, ভার্চুয়াল মাধ্যমসহ বিভিন্ন উৎস থেকে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসংগ্রহ করে।

এসব তথ্য-উপাত্ত সংবলিত অভিযোগগুলো কমিশনের দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেল কমিশনে উপস্থাপন করলে কমিশন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

কমিশনের বিশেষ তদন্ত অনুবিভাগের মাধ্যমে এই অভিযোগটি অনুসন্ধান করা হবে বলে জানা যায়।

দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যেরে একটি অনুসন্ধান টিম এই অনুসন্ধান কাজ পরিচালনা করবেন।

টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- সহকারী পরিচালক মো.নেয়ামুল হাসান গাজী ও শেখ মো. গোলাম মাওলা

রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে করোনা টেস্ট নিয়ে প্রতারণার ঘটনা ফাঁস হলে সাহেদ আত্মগোপনে চলে যান।

তবে ধারণা করা হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতেই রয়েছেন তিনি।

যে কোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন।

আধা শিক্ষিত সাহেদ

জানা গেছে, আধা শিক্ষিত সাহেদ ১৯৯৯ সালের পর থেকেই প্রতারণা শুরু করেন।

তার বাড়ি সাতক্ষীরায়। ওই এলাকার আরও একজন সাহেদ আছেন যার যাতায়াত সরকারের উচ্চ পর্যায়ে।

যেমনটি ছিলো রিজেন্ট সাহেদের। বঙ্গ ভবন থেকে গনভবন। সর্বত্রই ছিলো তার অবাধ বিচরণ। চতুর সাহেদ কৌশলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকীয় উপকমিটির পদও বাগিয়ে নেন। আর সেই পদ বিক্রি করে তিনি রাতারাতি ঢাকায় দোর্দণ্ড প্রতাপশালী হয়ে ওঠেন।

অনুমোদন ছাড়া উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে করোনা রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। কম্পিউটার থেকে বের করে তিনি ইচ্ছে মতো পজেটিভ নেগেটিভ রিপোর্ট হাজার হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। তার প্রতিষ্ঠানের ভুয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে শত শত লোক প্রতারণার শিকার হন। বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়।

তার আগে সাহেদ করিমের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এর পাশাপাশি তার নামে থাকা ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য সাত দিনের মধ্যে জানানোর জন্য সব তফসিলি ব্যাংককে চিঠি দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *