tag: মোবাইল টাওয়ারের মানদণ্ডের রেডিয়েশন। আমাদের খবর
Thu. Oct 29th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

মোবাইল টাওয়ারের মানদণ্ডের রেডিয়েশন

1 min read
মোবাইল টাওয়ারের মানদণ্ডের রেডিয়েশন

মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন মানদণ্ডের নিচে আছে।

আন্তর্জাতিক ও বিটিআরসির বেঁধে দেয়া মানদণ্ডের অনেক নিচে আছে টাওয়ার রেডিয়েশন

তাই তা নিয়ে আতংকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের কমিশনার মো. আমিনুল হাসান।

সোমবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে টাওয়ার রেডিয়েশনের মানদণ্ড ও সাম্প্রতিক জরিপ শীর্ষক এক আলোচনায় এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল টাওয়ার থেকে রেডিয়েশনের মাত্রা জরিপ করে মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি বলেও জানানো হয়। আরো পড়ুনঃ আমাদের খবর

ঘর-বাড়ির ছাদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, উপাসনালয়, জেলখানা, প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা ও স্থানসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মোবাইল টাওয়ারের নিঃসৃত বিকিরণ জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি করছে কি না তা খতিয়ে দেখতে সমীক্ষা করতে বলেছিল হাইকোর্ট।

আন্তর্জাতিক ও বিটিআরসি

একটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ বিটিআরসিকে চার মাসের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের পাশাপাশি মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় তার থেকে কী পরিমাণ বিকিরণ শরীর গ্রহণ করছে (স্পেসিফিক অ্যাবসরপশন রেট বা এসএআর মান) তা নির্ণয় করে প্রতিবেদন দিতে বলে। আরো পড়ুনঃ আমাদের খবর

দেশের অনেক স্থানে মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশন জরিপ করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিটিআরসির কমিশনার আমিনুল হাসান বলেন, টাওয়ারের রেডিয়েশনের ফল অত্যন্ত সন্তোষজনক পাওয়া গেছে যা আমরা নিয়মিতভাবে বিটিআরসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করি।

আপনি যদি ভবিষ্যতে আরও উন্নততর সেবা পেতে চান তাহলে আরও বেশি মোবাইল সাইট স্থাপনের বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, টাওয়ার রেডিয়েশন নিয়ে নানারকম বিভ্রান্তি আছে, এটা ভিত্তিহীন।

আমরা সরকারি, বেসরকারি সংস্থা বা ভবন মালিকদের কাছে নিশ্চিত করছি যে আপনারা ভয় পাবেন না।

বিটিআরসির হিসাবে সব অপারেটরের প্রায় ৩৩ হাজার টাওয়ার রয়েছে।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব মহাসচিব এস এম ফরহাদের সঞ্চালনায় এ আলোচনায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও মোবাইল শিল্পখাতের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরো পড়ুনঃ আমাদের খবর

আন্তর্জাতিক ও বিটিআরসি

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের উপ-পরিচালক শামসুজ্জোহা বলেন, রেডিয়েশন দুই প্রকার- আয়োনাইজিং এবং নন-আয়োনাইজিং।

এর মধ্যে আয়োনাইজিং রেডিয়েশন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর যেমন পারমাণবিক বর্জ্য, সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রে, গামা-রে কিংবা এক্স-রে।

এগুলো শরীরের মধ্যে ডিএনএ পর্যায়ে পরিবর্তন আনতে সক্ষম। আরো পড়ুনঃ আমাদের খবর

বিটিআরসির উদ্যোগে ও অ্যামটবের আয়োজনে এই আলোচনায় আরও অংশ নেন স্পেকট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম শহিদুল আলম।

হুয়াওয়ে টেকনলজিস (বাংলাদেশ)-এর মার্কেটিং বিভাগের পরিচালক এস এম নাজমুল হাসান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *