April 23, 2021

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/customer/www/amaderkhabor.com/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

মাস্ক কেলেংকারির হোতা শারমিন গ্রেফতার।

1 min read
মাস্ক কেলেংকারির হোতা শারমিন গ্রেফতার

মাস্ক কেলেংকারির হোতা শারমিন গ্রেফতার। বাংলাদেশ এর রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহ অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শারমিন জাহানকে গ্রেফতার (মাস্ক কেলেংকারির হোতা) করেছে পুলিশ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গোয়েন্দা পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার আজিমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শাহবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে শারমিন জাহানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাতে তাকে ডিবিতে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে তাকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

তার আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে সাবেক এই ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় প্রতারণার মামলা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই মাস্কের কারণে কোভিড-১৯ সম্মুখযোদ্ধাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে।

মামলায় বিএসএমএইউয়ের প্রক্টর মো. মোজাফফর আহমেদ বলেছেন, গত ২৭ জুন শারমিন জাহানকে ১১ হাজার মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয়।

কার্যাদেশের বিপরীতে ৩০ জুন প্রথম দফায় ১ হাজার ৩০০টি; ২ জুলাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ৪৬০টি ও ১ হাজারটি।

১৩ জুলাই চতুর্থ দফায় ৭০০টি মাস্ক সরবরাহ করে, প্রথম ও দ্বিতীয় লটের মাস্কে কোনো সমস্যা ছিল না।

তৃতীয় ও চতুর্থ দফায় লট বিতরণ ও ব্যবহারে ত্রুটি পাওয়া যায় এবং মাস্কের গুণগত মান স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী পাওয়া যায়নি।

কোনো মাস্কের বন্ধনী ফিতা ছিঁড়ে গেছে, কোনো মাস্কের ছাপানো লেখায় ত্রুটিপূর্ণ ইংরেজি লেখা পাওয়া গেছে।

কোনো কোনো মাস্কের নিরাপত্তা কোড ও লট নম্বর প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে নকল বলে জানা গেছে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে যে মাস্কের গুণগত মান নিম্নমানের ছিল।

শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তার

মামলায় বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিন জাহানকে ১৮ জুলাই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল।

শারমিন ২০ জুলাই দেওয়া জবাবে দুঃখ প্রকাশ করেন, যা দোষ স্বীকারের শামিল।

মামলায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শারমিনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেয়ার অভিযোগ করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শারমিন জাহান দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, “আমরা নকল মাস্ক সরবরাহ করিনি।

এসব প্রোডাক্ট চীন থেকে ইম্পোর্টেড। এগুলোতো আমরা তৈরি করিনি। আমরা শুধু সাপ্লাই দিচ্ছি।

প্রডাক্ট খারাপ হলে বিএসএমএমইউ প্রথমবারই আমাদের বলতে পারত। আমরা সেটা যাচাই করে দেখতে পারতাম।”

শারমিন জাহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তারপর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক পদে ছিলেন। আওয়ামী লীগের গত কমিটিতে মহিলা ও শিশুবিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ছিলেন। তর আগের কমিটিতে একই উপকমিটির সহসম্পাদক ছিলেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতকোত্তর শেষে বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রশাসন-১ শাখায় সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত তিনি। তাঁর বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলার শ্যামগঞ্জের গোহালকান্দায়।

আরো পড়ুনঃ আমাদের খবর