April 20, 2021

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/customer/www/amaderkhabor.com/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

মাদক নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বন্দুকযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা নিহত।

1 min read
মাদক নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বন্দুকযুদ্ধে

মাদক নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বন্দুকযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা নিহত। বাংলাদেশের টেকনাফে রবিবার মধ্যরাতে মাদক চালান নিয়ে অনুপ্রবেশকালে বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয়। বন্দুকযুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা বালুখালী ও কুতপালং ক্যাম্পে এই রোহিঙ্গা মাদককারবারী নিহত হয়। এসময় বিজিবির দুই সদস্য আহত হয়েছে।

সূত্র জানায়, টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল হোয়াব্রাং সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মাদকের চালান খালাসের সংবাদ পেয়ে রবিবার মধ্যরাতে অভিযানে যায়।

কিছুক্ষণ পর ৩/৪ জন লোক বস্তা নিয়ে নাফনদী থেকে পাড়ে আসতে দেখে বিজিবি তাদের থামতে বলে।

তারা না থেমে বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি করে।

এতে ল্যান্স নায়েক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এবং নায়েক শাকের উদ্দিন আহত হলে বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

এতে মাদক কারবারীদের কয়েকজন গুলি চালাতে চালাতে কেওড়া বাগান হয়ে পালিয়ে যায়।

তারপর পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করিয়া ৫০হাজার ইয়াবা, চায়না পিস্তল ও তাজা ২ রাউন্ড কার্তুজ আটক করে।

উখিয়া উপজেলার কুতপালং ৫নং ক্যাম্পের ব্লক-জি-২/ই এর শেড নং-৪৫১২৮৪ এর বাসিন্দা মোঃ শফির ছেলে মোঃ আলম (২৬) এবং ২নং বালুখালী ১৮নং ক্যাম্পের ব্লক নং- কে/৩ এর বাসিন্দা মোঃ এরশাদ আলীর ছেলে মোঃ ইয়াছিনকে (২৪) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করে।

আহত বিজিবি এবং গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে আহত সবাইকে চিকিৎসা দেওয়ার পর গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারীদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ তামান্না ভাটিয়া উপস্থাপনার পারিশ্রমিক আড়াই কোটি রুপি!

এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারার পৃথক আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) নিশ্চিত করেন।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে মুখোশের আড়ালে কমিশনভোগী চক্র তৎপর থাকায় সরকারের শত চেষ্টার মধ্যেও মাদক চোরাচালান থামানো যাচ্ছে না।

তাই ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থাকা এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।