April 22, 2021

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/customer/www/amaderkhabor.com/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

বন্যা নিয়ন্ত্রণে কিভাবে এতটা সফল চীন?

1 min read
বন্যা নিয়ন্ত্রণে কীভাবে এতটা সফল চীন

বন্যা নিয়ন্ত্রণে কিভাবে এতটা সফল চীন? পৃথিবীর তৃতীয় দীর্ঘতম নদী ইয়াংজিতে পানি বেড়ে চীনের হুবেই ও জিয়াংশি অঞ্চলে সৃষ্ট বন্যা সামলাতে দ্রুত সাড়া দিয়েছে দেশটির সরকার। বন্যা মোকাবিলায় ১ লাখের বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্য, চিকিত্সক, উদ্ধারকারী দলের সদস্য পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হয়েছে।

ইয়াংজি নদীতে গত পাঁচ দশকের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে এই মৌসুমে। বন্যায় বিস্তৃত অঞ্চলের কয়েক হাজার বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে।

প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

হুবেই অঞ্চলের পাশাপাশি তিব্বত ও চীনের শিনজিয়াং অঞ্চলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যা শুরুর পর কিছুটা বেসামাল হয়ে গেলেও দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে দেশটি।

চীনের বন্যা মোকাবিলার সক্ষমতার কারণে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

পাঁচটি প্রদেশে বন্যা দেখা দিলে হাজারো স্থান বন্যা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। যদিও তা বেশ ভালোভাবেই সামল দিয়েছে দেশটি। ভয়াবহ এই বন্যাকে এতটা ভালোরভাবে সামাল দেওয়ার পেছনে রয়েছে ইলেকট্রনিক গার্ড, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অবজারভেশন যন্ত্রপাতির মতো উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি।

পাশাপাশি চীনের বন্যাপ্রবণ এলাকার চারপাশে বন্যা প্রতিরোধী দেওয়াল কার্যক্রমও কাজে লেগেছে।

তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়েছে ত্রাণ কার্যক্রমের নির্ভুলতা।

বন্যার ত্রাণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল বন্যা প্রতিরোধী বেড়িবাঁধ শক্তিশালীকরণ।

চীনের এই অঞ্চলে গড়ে প্রতি বছরই বন্যা হয়। ১৯৯৮ সালের পর এবারই সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

আশার কথা, ১৯৯৮ সালের বন্যায় যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল তার থেকে অনেক কম ক্ষতি হয়েছে এ বছর।

তাইপিং গ্রামের দলনেতা

তাইপিং গ্রামের দলনেতা মি. ত্যাং বলেন, ১৯৯৮ সালের তুলনায় এই মুহূর্তে দেশটির বন্যাপ্রবণ।

ঐ অঞ্চলের বেড়িবাঁধ গুলোর উচ্চতা এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বলা যায়, বন্যা মোকাবিলায় এখন আমাদের কাছে অনেক ভালো যন্ত্রপাতি এবং প্রযুক্তি রয়েছে।

স্থানীয় জনগণ, প্রশাসন, সামরিক বাহিনীর সদস্য, উদ্ধারকারী দল বন্যার বিরুদ্ধে লড়তে আগের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ও ঐক্যবদ্ধ।

জুলাইয়ের শুরুর দিকে বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা দেখার পর থেকে অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ দ্রুত প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

নিজেদের এলাকায় বন্যার কোনো শঙ্কা আছে কি না তা যাচাইয়ের জন্য প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার নদীর পানি কী পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে তা যাচাই করেছেন স্থানীয়রা।

কোনোরকম বন্যার লক্ষণ দেখা দিলে, বাঁধে ফাঁটল দেখা দিলে তা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন তারা, কর্তৃপক্ষও দ্রুত সাড়া দিয়েছে।

উজি বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রাণ কার্যক্রম হেডকোয়ার্টারের একজন কর্মকর্তা ঝ্যা জিয়াওয়েন বলেন, এ বছর আমরা আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম।

এছাড়া প্রথমবারের মতো নতুন কিছু প্রযুক্তিও ব্যবহার করেছি, আমরা ২০০ জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করে বন্যার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেছি।

যা কি না বন্যা সম্পর্কে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে আমাদের সহায়তা করেছে প্রতি পাঁচ মিনিটে বন্যা এবং বৃষ্টিপাতের তথ্য আপডেট হয়েছে মূল সার্ভারে।

এই তথ্যগুলো যাচাই বাছাইয়ের জন্য আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।