tag: নদীভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে বাউফলের মানচিত্র। আমাদের খবর
Thu. Oct 29th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

নদীভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে বাউফলের মানচিত্র।

1 min read
নদীভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে বাউফলের মানচিত্র

নদীভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে বাউফলের মানচিত্র। বাংলাদেশের দক্ষিন অঞ্চলীয় জেলা পটুয়াখালী নদ নদীর জেলা। পটুয়াখালীর বাউফলের তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদীর কড়াল গ্রাসে পাল্টে যাচ্ছে এই উপজেলার সাধারণ মানুষের ভ্যাগের মানচিত্র। নদীভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করায় প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ফসলি জমি। নদীতে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এই অঞ্চলের মানুষ সহায় সম্বল নদীর কবলে হারিয়ে নিশ্ব হয়ে যাচ্ছে। তাদের বেঁচে থাকার ছায়া টুকু মিলছে না।

ভাঙ্গনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাসমান পরিবারের সংখ্যা। ওই সব পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাই মিলছে উপজেলার আশেপাশের গ্রামের সড়কের পাশে।

নদী ভাঙনে উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের লঞ্চঘাট, নতুন বাজার। ঘুরচাকাঠি ও বাসুদেবপাশা গ্রামের প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা তেঁতুলিয়া নদী পুরোপরি গ্রাস করে নিয়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে ভাষাসৈনিক সাবেক সংসদ ও ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ হোসেন। সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী অধ্যক্ষ মরহুম ইউনুস খান। পরমাণু বিজ্ঞানী ডাঃ মরহুম আবদুস সোবহানের কবর। ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধাদের কবর, এন কে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকশত বাড়িঘর। অব্যাহত ভাঙ্গনে বদলে যাচ্ছে এই দৃশ্যপট। ছোট হয়ে আসছে বাউফলের মানচিত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মানচিত্রে প্রমত্তা তেঁতুলিয়া ও লোহালিয়া নদী, এই নদী দুটি উপজেলার তিনদিক দিয়ে ঘেরা। আর এ নদী দুটির পাড়েই ৬টি ইউনিয়নের প্রায় দেড়লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে।

এ ইউনিয়ন ছয়টি হচ্ছে কালাইয়া, নাজিরপুর, ধুলিয়া, কাছিপাড়া, কনকদিয়া ও বগা ইউনিয়ন।

ধুলিয়া ইউনিয়ন

এসব ইউনিয়নের প্রায় ২০-২৫টি গ্রাম ইতিমধ্যে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে।

সবচেয়ে বেশি ভাঙ্গছে ধুলিয়া, কাছিপাড়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, কনকদিয়া বামনীকাঠি, বগা ধাউরাভাঙ্গা ও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন।

উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়নের ১৯টি গ্রাম শুধু উপজেলার মানচিত্রে রয়েছে। রয়েছে দাগ খতিয়ান কিন্তু বাস্তবে তার কোন অস্তিত্ব নেই।

স্থানীয়রা জানান, এ বিষয়ে কয়েকবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও কোন ব্যবস্থা না নেয়া হয়নি।

কাছিপাড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গনকবলিত এলাকার আব্দুল খালেক হাওলাদার জানান, নদীর সর্বনাশা ভাঙ্গনে পূর্ব কাছিপাড়া, পশ্চিম কাছিপাড়া, গোপালীয়া বাজার লোকজনের ঘুম কেড়ে নিয়েছে।

কারখানা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে প্রতিনিয়ত বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাউফলের জনপদ।

নদীভাঙন প্রতিরোধে ভোক্তভোগীরা দফায় দফায় মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় দফায় দফায় পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পাদ প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক চিফ হুইপসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন বলেন, এ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ভাঙ্গনের কবলে পড়ে দিন দিন তার আয়তন হারাচ্ছে।

তবে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে ভাঙ্গনের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে আবেদন করা হয়েছে।

amarzonexpress.ban3

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *