tag: দরজা খুললে মনে হতো করোনা হাজির - টনি ডায়েস। আমাদের খবর
Thu. Oct 22nd, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

দরজা খুললে মনে হতো করোনা হাজির – টনি ডায়েস।

1 min read
দরজা খুললে মনে হতো করোনা হাজির

দরজা খুললে মনে হতো করোনা হাজির – টনি ডায়েস। বিনোদন অঙ্গনের জনপ্রিয় নাম গুলোর মধ্যে একটি নাম টনি ডায়েস। এমন একটা সময় নিজের অভিনয়শৈলী দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছেন টনি ডায়েস। তবে এ মুহূর্তে পর্দায় নেই তিনি। ক্যামেরার সামনেও নেই। থাকবেনই বা কি করে। পরিবার নিয়ে আমেরিকায় পাড়ি দিয়েছেন সেই কবে। অভিনয় থেকে দূরে চলে গেলেও মিডিয়ার রুচিশীল ও মার্জিত অভিনেতাদের তালিকায় তার নাম এখনও লেখা রয়েছে। ২০০৯ সালে একমাত্র মেয়ে অহনা ও স্ত্রী প্রিয়া ডায়েসকে নিয়ে আমেরিকায় চলে যান টনি ডায়েস।

তখন থেকেই মার্কিন মুলুকে স্থায়ীভাবে থাকছেন তিনি।

প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাস সবচেয়ে বেশি চোখ রাঙিয়েছে দেশটিতে।

গত দুই মাসে এক লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেখানে।

এরমধ্যেই জীবনযাপন করেছেন টনি ডায়েস ও তার পরিবার। এখন মৃত্যু কমেছে।

আক্রান্তের ভহাবহতাও কিছুটা কম। লকডাউন শিথিল করলেও সচেতনতার সঙ্গেই চলাচল করতে হচ্ছে সবাইকে।

তবে দুই মাস আগের পরিস্থিতির কথা জানাতে গিয়ে টনি ডায়েস আমাদের খবরকে বলেন, আতঙ্ক তো অবশ্যই বিরাজ করেছে।

চারদিকে শুধু মৃত্যুর মিছিল। ৬৫ দিন ঘরবন্দী ছিলাম। দরজা খুললেই মনে হতো করোনা এসে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এ মুহূর্তে সেই ভয় আর নেই। পরিস্থিতি অনেকটাই শিথিল।

টনি ডায়েস

আমেরিকায় সবার জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তবে সচতেনতা অবলম্বন করে এই করোনাকে নিয়েই থাকতে হবে।

এ ছাড়া উপায় নেই। এ অভিনেতা আরো বলেন, আমাদের এখানে সবার মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বাস, ট্রেন যেখানেই চড়বেন অবশ্যই মাস্ক থাকতে হবে।

একটা দিক থেকে ভেবে স্বস্তি লাগে যে, এখানে মাস্ক পড়তে হবে মানে পড়তেই হবে।

মানে সরকার যে আইনটা বা নিয়ম করেছে সেটা মানতেই হয়।

না হলে জরিমানার কবলে পড়তে হবে। এতে করে এখানকার মানুষ নিজে সচেতন থাকে, অন্যকেও সচেতন করে তুলতে সাহায্য করে।

আর করোনা যেভাবে এখানে আঘাত হেনেছে তাতে সবাই নিজে থেকেই সচেতন।

এই করোনা কালীন সময়ে সব কাজ থেকে দূরে ছিলেন টনি ডায়েস। ঘরবন্দী থেকে কি করেছেন তিনি? জানতে চাইলে এ অভিনেতা বলেন, অফিসিয়াল কাজ তো বন্ধ ছিল। তবে আমি কিছু ভিডিও বানিয়েছি।

সময়গুলোকে ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছি। কয়দিন আগেই বাংলাদেশের কিছু প্রিয় মুখ যারা বহুগুণে গুনান্বিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন। এই করোনাকালীন সময়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন তাদের নিয়ে একটি ভিডিও নির্মাণ করেছি। আমার ফেসবুক টাইমলাইনে ‘নিজের মতো সংসার’ শিরোনামে ওই ভিডিওটি শেয়ার করা আছে। এছাড়া আমার উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা মানুষদের কাছ থেকে বাংলাদেশি মেক আপ আর্টিস্ট ক্রুসহ যারা ক্যামেরার পেছনে কাজ করেন তাদের জন্য ফেসবুক লাইভে ফান্ড কালেক্ট করেছি। করোনাকালীন সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এ উদ্যোগকে সবাই স্বাগত জানিয়েছেন। আর কালেক্ট করা টাকাগুলো দেশে পাঠিয়েছি। মামুনুর রশীদ ভাইসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ এ ব্যাপারে হয়তো কাজ করছেন বা করবেন।

সর্বশেষ ২০১২ সালে ধারাবাহিক নাটক ‘ছায়াবৃতা’তে দেখা গেছে টনি ডায়েসকে। নিউইয়র্ক প্রবাসী বাঙালিদের নিয়ে লেখা সমরেশ মজুমদারের উপন্যাস থেকে এর নাট্যরূপ দিয়েছিলেন শফিকুর রহমান। নাটকটি পরিচালনা করেছিলেন তৌকীর আহমেদ। ১৯৯৪ সাল থেকে চার শত এর বেশি নাটক, সিরিয়াল আর টেলিফিল্মে কাজ করেছেন টনি ডায়েস। ‘টমটম’, ‘ভুতের গলি’, ‘লোহার চুড়ি’সহ অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *