tag: চট্রগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত আনন্দ ভ্রমণ। আমাদের খবর
Tue. Oct 27th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

চট্রগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত আনন্দ ভ্রমণ।

1 min read
চট্রগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

চট্রগ্রাম পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত আনন্দ ভ্রমণ। পতেঙ্গা চট্টগ্রাম শহরের ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সমূদ্র সৈকত। শহর থেকে এখানে আসতে প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় লাগে। এখানে শহর থেকে সিএনজি /বাস /মাক্রোবাস / প্রাইভেট কার ইত্যাদি ব্যবহার করে আসতে পারবেন। এখানে গাড়ি পাকিং করার ব্যবস্থা আছে। বর্তমান এই সমুদ্র সৈকতটি অত্যান্ত আধুনিক ও মান সম্মত করা হয়েছে। প্রতিদিন এই পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বাংলাদেশ এর অনেক অঞ্চল থেকে ভ্রমণ পিয়াসুরা সমুদ্র সৈকতের নয়নাভিরাম প্রকৃতি উপভোগ করতে আছেন। সমুদ্র সৈকতের জলরাশির উপর দিয়ে বয়ে চলা মৃদুমন্দ আবহাওয়া আমাদের শরীরকে চাঙ্গা করে তুলে। নতুন রুপে আমাদের শরীরে শক্তি খুজেঁ পেতে সাহায্য করে থাকে। প্রতি মাসে / তিন মাসে / ছয় মাসে / বছরে / এক বার হলেও আমাদের সমুদ্র সৈকতের আবহাওয়ায় যাওয়া উচিৎ মন ও শরীরকে ফুরফুরে করে তোলার জন্য। যেতে পারেন প্রকৃতির পাহাড় পর্বতেও।

কর্ণফুলী নদীর মোহনায় সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গা অবস্থিত। পতেঙ্গা চট্টগ্রাম শহরের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।

১৯৯১ সালের ঘূর্ণীঝড়ে এই সৈকতটি ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। এখন এই সমূদ্র সৈকতে পাথর, বালু ও সিমেন্ট দ্বারা

তৈরি করা স্লাব দিয়ে বেড়ি বাঁধ দেয়া হয়েছে।

এখানে শাহ আমানত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাটি বিএনএস ঈসা খান এই পতেঙ্গায় অবস্থিত।

এছাড়াও চট্টগ্রাম বন্দর এর অনেক জেটি এইখানে অবস্থিত।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতকে বোঝানো হলেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে এই পারকি সমুদ্র সৈকতও।

এই সৈকতের একদিকে ঝাউ বনের সবুজের অরণ্য আর অন্যদিকে নীলাভ সমুদ্রের বিস্তৃত জল রাশি আপনাকে স্বাগত জানাবে।

আর সমুদ্র তীরের মৃদুমন্দ আবহাওয়া আপনার মনকে আনন্দে পরিপূর্ণ করে দেবে নিমেষেই।

এমন একটা সময় ছিল যখন এই সমুদ্র সৈকতে আসার রাস্তা ভালো ছিল না। কিন্তু বর্তমানে এখানে ভ্রমণ পিপাসুদের আনা-

গোনা বেড়ে যাওয়াতে কর্তৃপক্ষ রাস্তাটিকে সংস্কার করে ঝকঝকে করে তুলেছে। এছাড়াও এখানে নিরাপত্তার ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে।

পতেঙ্গা সৈকতের সঙ্গে ঝাউবনের ছায়াতলে রয়েছে খাবারের দোকান সহ অনেক দোকান-পাট।

পতেঙ্গা

এখানে রয়েছে বিনোদনের জন্য স্পীড-বোট, সমুদ্র তীরেই ঘুড়ে বেড়ানোর জন্য সী-বাইক আর ঘোড়া। এজন্য অবশ্য

আপনাকে নির্দিষ্ট ভাড়া গুনতে হবে ঘন্টাপ্রতি। ঝাউবন ঘেঁষে উত্তর দিক বরাবর হেঁটে গেলে দেখতে পাবেন বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলি নদীর মোহনা।

ঢাকা থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে কিভাবে যাবেন?

বাসে / ট্রেনে / বাংলাদেশ বিমানে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম শ্যামলী, সোহাগ, হানিফ, সাউদিয়া, গ্রীণলাইন, সেন্টমার্টিন সহ বহু বাস এসি এবং নন এসি বাস সার্ভিস রয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ১২ টা ৩০মিনিট পর্যন্ত ঢাকার সায়দাবাদ, গাবতলী, মহাখালী, আরামবাগ, উত্তরা সহ বেশ কিছু বাস স্টোপেজ থেকে গাড়ি ছেড়ে যায় চট্রগ্রামের উদ্দ্যেশে। বাস ভাড়া নন এসি ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪৮০ টাকা পর্যন্ত। এসি বাসের ভাড়া ৭৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২৩০০ টাকা পর্যন্ত আছে। ভাড়ার বিষয় আরো বিস্তারিত ইউটিবের ভিডিও দেখুন এই লিংকে কিক্ল করে দেখে আসতে পারেন।

ঢাকা থেকে ট্রেনে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েব সাইট থেকে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। অথবা আপনি কমলাপুর রেল স্টেশন থেকেও টিকেট ক্রয় করতে পারবেন।  https://www.esheba.cnsbd.com/#/ এই লিংক থেকে অনলাইন টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। ভাড়া, ট্রেনের নাম, কখন ছাড়বে সকল তথ্য এখানে পেয়ে যাবেন।

আপনাদের সুবিধার্থে আরও কিছু ট্রেনের তথ্য আমি এখানে দিয়ে দিলাম। সোনার বাংলা এক্সপ্রেস এর এসি বার্থ ১১৯৯ টাকা, স্নিগ্ধা ৬৭৬ টাকা থেকে ৮২৫ টাকা ভাড়া, শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা।

ঢাকা থেকে বিমানে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। যে কোন ট্রাভেল এজেন্ট থেকে টিকেট ক্রয় অথবা ঢাকা আভ্যন্তরিন বিমান বন্দর থেকে টিকেট ক্রয় করতে পারবেন। ভাড়া ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত পড়বে সময় ভেদে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *