আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/customer/www/amaderkhabor.com/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

গোল্ডেন মনিরের সুইস ব্যাংকে বিপুল পরিমানের অর্থ।

1 min read
গোল্ডেন মনিরের

গোল্ডেন মনিরের সুইস ব্যাংকে বিপুল পরিমানের অর্থ। গোল্ডেন মনির অবৈধ ব্যবসা আর প্রতারণা করে এবং জালিয়াতি করে দেশেই সম্পদ গড়ার পাশাপাশি সুইস ব্যাংকেও বিপুল পরিমানের অর্থ জমা রেখেছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে অ্যালকোহলের ব্যবসা থেকে অর্থ, স্বর্ণ পাচার, দলিল জাল করে জমি বিক্রয়, রাজউকের জালিয়াতি এ সকল আয়ের অর্থ তিনি বিদেশে পাচার করেছেন। হুন্ডির মাধ্যমে মনির প্রায় ২৩ কোটি টাকা সুইস ব্যাংকে পাচার করেছেন। টাকা পাচারে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে নারায়ণগঞ্জের হুন্ডি ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম দিপু। তাদের দুই জনের আত্মীয় থাকেন সুইজারলান্ডে। তারই ধারাবাহিকতায় মনিরের টাকা সুইস ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন। গোল্ডেন মনির গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তার পলাতক রয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে তাদের দুই জনকে ধরার জন্য ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

মনির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান যে, ক্যাসিনো অভিযানের সময় খুলনায় তার এক স্বজনের বাড়িতে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন।

অভিযান শিথিল হওয়ার পর তিনি আবার ফিরে এসেছেন। ওই সময় গ্রেপ্তার হওয়া কারও সঙ্গে তার কোন যোগাযোগ ছিল না

বলে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছেন। তবে ক্যাসিনো অভিযানের সময় গ্রেপ্তার হওয়াদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ

ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টাকা পাচারের বিষয়টি দুদক তদন্ত করবে।

 

মামলার তদন্তের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায় যে রিমান্ডে গোল্ডেন মনির ঢাকার একটি দোকানের

সেলস ম্যান থেকে কিভাবে গোল্ডেন মনির হলেন তার আদ্যোপান্ত জানিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কিভাবে অর্থ

বিদেশে পাচার করেছেন এবং কারা তা দেখভাল করতো স্বীকার করেছেন। দেশীয় ৫টি ব্যাংকে নিজের অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে

তিনি স্বীকার করেছেন। তাছাড়াও পরিবারের একাধিক সদস্যের নামেও তার ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে। সেই অ্যাকাউন্ট গুলোর

লিষ্ট এবং সেই অ্যাকাউন্ট গুলোতে কত টাকা লেনদেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে জিজ্ঞাসাবাদে

তিনি ছিছু বিষয় গোপন করার চেষ্টা করেছেন। সেগুলো জানার চেষ্ট করছে পুলিশ।

গোল্ডেন মনিরের

সূত্র জানায় যে, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন মূলত নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে বিদেশে টাকা পাচার করেছেন। দেশে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় অভিযান শুরু হলে সুইজারল্যান্ডে গিয়ে বসবাসে যাতে আর্থিক সংকটে না পড়েন এজন্য সুইস

ব্যাংকে টাকা পাচরের কারণ। তাছাড়াও ব্যাংকে গচ্ছিত কিছু টাকা তিনি ওই দেশের আরেকটি কো-অপারেটিভ সোসাইটিতে

স্থানান্তরের উদ্যেগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই র‌্যাবের জারৈ ধরা পড়েছেন তিনি।

পুলিশ জানায় যে, গোল্ডেন মনির পড়ালেখা কম জানার কারণে কিভাবে বিদেশের ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় এবং টাকা পাঠাতে হয় তা তিনি জানতেন না। এ কাজে তাকে সতযোগিতা করেছে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার আরিফ এবং শামসুল। তারা দুই জনই হুন্ডি ব্যবসায়ী। হুন্ডি ছাড়াও তারা দুই জন সোনা চোরাচালানকারী। সোনা চোরাচালান করতে গিয়েই মনিরের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে তারা দুই জন সোনা বহনকারী চক্রের সদস্য।

আরো পড়ুনঃ হুন্ডি সিন্ডিকেটেই সর্বনাশ

সূত্র জানায় যে, শামসুলের আত্মীয় তার হোটেল ব্যবসা আছে সুইজারল্যান্ডে। এছাড়াও তিনি দেশের হুন্ডির বড় চক্র নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। রফিকের গ্রামের বাড়ি আড়াইহাজারের ফতেহপুর ইউনিয়নে। মনিরের সুইস ব্যাংকে টাকা রাখার ক্ষেত্রে শামসুল এবং রফিক বড় ভূমিকা রেখেছে। শামসুল করোনার আগে দেশে এসেছিলেন এবং ওই সময় গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে ঢাকারিএকটি অভিজাত হোটেলে ডিনার ররেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোল্ডেন মনির স্বীকার করেছেন।