tag: ওবায়দুল কাদের বলেছেন গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল চাই |
Sun. Nov 1st, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

ওবায়দুল কাদের বলেছেন গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল চাই

1 min read
ওবায়দুল-কাদের

ওবায়দুল কাদের বলেছেন গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল চাই।

গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিরোধী দল শক্তিশালী হোক, বড় সমাবেশ করুক আমরা সেটা চাই। কারণ শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার।

কিন্তু তাদের (বিএনপি) নেতিবাচক রাজনীতি নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে হতাশায় ভুগছে এবং আবোল তাবোল কথা বলছে।

তারা নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ না, জনগণকে কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করবে?

শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে বৈঠকে তিন সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তাঁতী লীগের সম্মেলন করতে নির্দেশ দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

বৈঠক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কমিটির তালিকা দলীয় দফতরে ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। আর যেসব জেলায় যাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের এপ্রিলের মধ্যে সম্মেলন শেষ করতে বলা হয়েছে। আগামীকাল (শনিবার) বিকাল ৪টায় ঢাকা মহানগরের নবনির্বাচিত মেয়র ও ঢাকার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসা হবে বলেও জানান তিনি।

গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল

সিটি নির্বাচনে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ কিছু দুর্বলতা অবশ্যই আছে।

এটা উত্তোরণের জন্য মহানগরে ওয়ার্ড, থানায় সম্মেলন করে কমিটি করা হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ ওয়ার্ডে বিজয়ী কাউন্সিলর ৯৮ জন, সংরক্ষিত ৩৪ জন, মোট ১৩২ জন।

১৬ জন বিদ্রোহী কাউন্সিলর বড় কোনো সংখ্যা নয়।

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগণের আস্থাহিনতা কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বিষয়ে সামগ্রিকভাবে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা দরকার।

আমাদের দলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।

আগামী ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।

আমরা ভবিষ্যতে অতীতের ভুলত্রুটি এড়িয়ে পথ চলতে পারব।

বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রতিককালে রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহমান।

এই মুক্তিযুদ্ধের দেশে সাম্প্রদায়িক ধারায় ফিরিয়ে নেয়ার রাজনীতি চলবে না।

তিনি বলেন, এখনকার তরুণরা জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো আস্থাভাজন নেতৃত্বে বিশ্বাসী।

বিএনপি যতদিন সাম্প্রদায়িক এবং জঙ্গিবাদী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতাকে লালন-পালন করবে ততদিন তাদের এই নেতিবাচক ধারার কারণে আন্দোলনেও বিজয়ী হবে না, নির্বাচনেও বিজয়ী হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *