tag: কর্মীদের মধ্যে চীনের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু। আমাদের খবর
Tue. Oct 20th, 2020

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়

কর্মীদের মধ্যে চীনের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু।

1 min read
কর্মীদের মধ্যে চীনের ভ্যাকসিন

কর্মীদের মধ্যে চীনের ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু। বিশ্বজুড়ে যে মহামারি করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে তা মানবদেহে প্রথম শনাক্ত হয় চীনে। এখন দেশটি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকরি একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কারে নেতৃত্ব দেয়া দেশ গুলোর মধ্যে অন্যতম। চীনের বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিনই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে। গত সপ্তাহে তারমধ্যে একটি ভ্যাকসিনের খবর রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত হতে দেখা গেছে। এতে দেখা যায়, একজন নারী একটি গবেষণাগারে বসে হাতে একটি বাক্স ধরে রেখেছেন। সিনোফার্ম জানিয়েছে, তারা আশা করছেন ডিসেম্বরের মধ্যেই তাদের ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসবে। এর দাম ১৪০ ডলারের আশেপাশে থাকবে বলেও জানিয়েছে তারা।

বিশ্বে যে কয়েকটি ভ্যাকসিন পরীক্ষায় সর্বশেষ পর্যায়ে রয়েছে তার অর্ধেকই চীনের।

দেশটি বিশ্বজুড়ে নিজেদের ভ্যাকসিনের পরীক্ষা চালাচ্ছে। যদিও দেশটি নিজের দেশে ভ্যাকসিন পরীক্ষা করতে পারছে না। কারণ, চীন এরইমধ্যে নিজ দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে। এ নিয়ে হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রফেসর বেন জানান, সবগুলো ভ্যাকসিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানই তাদের তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার জন্য সম্ভাব্য দেশ খুঁজছে। তিনি চীনের সবগুলো ভ্যাকসিন নিয়েই আশাবাদী।

চীনের একজন শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীন এরইমধ্যে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করেছে।

দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের কর্মকর্তা ঝেং ঝংই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ভ্যাকসিন প্রদানের কথা নিশ্চিত করেছেন।

চীনের বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ডিসেম্বরেই কিছু ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসবে, তবে তাদের সংখ্যা পর্যাপ্ত হবে না।

তবে ২০২১ সালের গ্রীষ্মেই জনসংখ্যার বেশিরভাগকে ভ্যাকসিন দেয়া যাবে।

ভ্যাকসিনের পরীক্ষারও রয়েছে নানা রকমভেদ। চীন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার মানুষের দেহে চীনা কোম্পানি গুলোর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, পেরু ও আর্জেন্টিনায় সবথেকে বেশি ট্রায়াল চলছে। তবে গোপনেও কিছু পরীক্ষা চলছে বলে জানা গেছে।

ভ্যাকসিন বাজারে চলে

এরইমধ্যে চীন জানিয়েছে, ভ্যাকসিন কার্যকরি প্রমানিত হওয়ার পর দ্রুতই আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে। তবে চীনের এই ‘ভ্যাকসিন কূটনীতি’ নিয়ে সাবধান করেছে ইউরোপীয় কূটনীতিকরা। তারা করোনা সংক্রমণের প্রথম দিকে ইউরোপে চীনা মাস্ক সরবরাহের কথা তুলে ধরেন। তাদের আশঙ্কা, চীন ভ্যাকসিনের পেছনে অনেক অর্থ বিনিয়োগ করেছে। এখন চীন এই ভ্যাকসিন থেকে সেই বিনিয়োগ উদ্ধার করবে।

আরো পড়ুনঃ মধু অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে অধিক কার্যকরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *