April 22, 2021

আমাদের খবর

খবরের সাথে সব সময়


Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/customer/www/amaderkhabor.com/public_html/wp-content/themes/newsphere/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

কর্ণফুলী টানেলের অগ্রগতি ৬০ ভাগ প্রায়।

1 min read
কর্ণফুলী টানেলের অগ্রগতি

কর্ণফুলী টানেলের অগ্রগতি ৬০ ভাগ প্রায়। মহামারি করোনার মধ্যেও বাস্তবায়নের পথে চলছে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল।  তারই মধ্যে শেষ হয়েছে একটি টিউবের খননকাজ। পুরো প্রকল্প কর্ণফুলী টানেলের অগ্রগতি ৬০ ভাগ প্রায়। প্রকল্প পরিচালক বলছেন-নির্ধারিত সময় ২০২২ সালেই প্রকল্প শেষের টার্গেট নিয়ে এগুচ্ছে কাজ। প্রকল্পটি শেষ হলে চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্যে গতি আরো বাড়বে বলে মনে করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা।

চট্টগ্রামে অন্যতম বড় প্রকল্প কর্ণফুলী টানেল। সরকারের গুরুত্বের তালিকায় থাকা এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীর তলদেশ দিয়ে চলবে যানবাহন।

করোনার মধ্যে বেশিরভাগ মেগা প্রকল্পে থমকে গেলেও-ধীরে চলেছে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ। যেখানে নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত হচ্ছে চার লেন বিশিষ্ট ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল

এরই মধ্যে পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা উপজেলা পর্যন্ত বোরিং মেশিনের মাধ্যমে একটি টিউব টানেলের ২ হাজার ৪৫০ মিটারের কাজ শেষ।

করোনাকালেও ২৬৬ জন চীনা প্রকৌশলী ও শ্রমিকরা কঠোর পরিশ্রম করে একটি টিউবের কাজ শেষ করেছেন।

প্রকল্প পরিচালক হারুনুর জানান, আরেকটি টিউবের কাজ শুরু করতে সময় লাগবে আরো ৩ থেকে ৪ মাস।

তবে নির্ধারিত সময় ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কর্ণফুলী টানেলের কাজ শেষ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন-দুটি টিউবের সমন্বয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে এই টানেল।

এই টানেল বাস্তবায়িত হলে বছরে কমপক্ষে ৬৩ লাখ যান চলাচল করবে নদীর তলদেশ দিয়ে।

ইতোমধ্যে দেশের প্রথম এই টানেল নির্মাণের ৫৭ ভাগ কাজ হয়েছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ দেলোয়ার হোসেন মজুমদার জানান, দুইটি টিউবের কাজ শেষ হলেই এই প্রকল্পটি শেষ বলা যাবে।

এছাড়াও কর্ণফুলী টানেল চালু হলে জাতীয় অর্থনীতিতে এটি ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলেও জানান তিনি।

কর্ণফুলী নদীর মাধ্যমে দু,ভাগে বিভক্ত চট্টগ্রাম মহানগরী। যাকে এক সুতোয় বাঁধছে দুই টিউববিশিষ্ট কর্ণফুলী টানেল।

মোট ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকার এই মেগা প্রকল্পে টিউব দুটি।

তাছাড়াও কর্ণফুলীর পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে পাঁচ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ সংযোগ সড়ক নির্মিত হচ্ছে।

যা বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য আনা-নেওয়ায় অর্থ সাশ্রয় হবে এবং একইসঙ্গে-যানজট কমবে চট্টগ্রাম শহরের।