
অনলাইন ডেস্ক: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের হামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার। শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নে বাজার এলাকার পঞ্চায়েত বাড়ির ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বিএনপি নেতা ও পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম ফকির (৫৫), স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ হোসেন (৩৮), একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ নাহিদ হোসেন (১৮), নাছির উদ্দীন ফকির (৫০) ও নাইম হোসেন (২৮)।
জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে পত্তাশী বাজার এলাকায় স্থানীয়রা হঠাৎ ডাকচিৎকার শুনতে পেরে তারা এগিয়ে গেলে আহত ওই পাঁচজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তারা অচেতন অবস্থায় দুজনসহ মোট পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহতদের ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করেন। বর্তমানে আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত জাহিদ হোসেন ও নাসির ফকির বলেন, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকু এবং তার ছেলে ছাত্রলীগনেতা রায়হান, টুকুর ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জনে মিলে আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমাদের অপরাধ আমরা বিএনপি করি। ৫ তারিখের প্রতিশোধ নিতেই তারা আমাদের ওপরে হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছি। আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘আহতরা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বলেছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।ই










